ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী র‍্যালি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার পরিবেশ সেবার মানোন্নয়নে এসিজির সঙ্গে মতবিনিময় তিতাস নদীতে বিপদে পড়া নারীকে সাহসিকতায় উদ্ধার করলেন পুলিশ কনস্টেবল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজ্ঞান ক্লাব টেকসইকরণে সেমিনার নবীনগরে শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৯ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার সরাইলে সিএনজিতে ইয়াবা পাচারের সময় ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ ভূমি জটিলতা নিরসনে জনসচেতনতার পাশাপাশি সেবাদাতাদের আরও আন্তরিক হতে হবে এসএসসিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন অধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটো রিকশার ধাক্কায় কলেজছাত্রীর করুণ মৃত্যু। ট্রাভেল এজেন্সি ফোরাম অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া (টিএএফবি) সদস্যদের আলোচনা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা থেকে মিরপুরে কাপড় ব্যবসায়ী আনোয়ার হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

Oplus_16908288

রাজধানীর মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কাপড় বিক্রেতা আনোয়ার হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতের নাম মেহেদী হাসান (২৭)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে এবং নবীনগর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার স্থানীয় জনতা মেহেদী হাসানকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ জানতে পারে, তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে (মামলা নং-৭, তারিখ: ০২ আগস্ট ২০২৫)। পরে ভাটারা থানা পুলিশ বিষয়টি মিরপুর মডেল থানাকে অবহিত করলে তারা এসে মেহেদীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থনে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন নিহত আনোয়ার হোসেন ও তার ভাই মামলার বাদী।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মিছিলটি দমনের জন্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সময় গুলি, টিয়ার শেল ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আনোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যা মামলায় মেহেদী হাসান ৪৪ নম্বর আসামি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মেহেদী হাসান ঘটনার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক আইন, হত্যাচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে আরও একাধিক মামলা রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছে পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

Popular Post

নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী র‍্যালি

ঢাকা থেকে মিরপুরে কাপড় ব্যবসায়ী আনোয়ার হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

Update Time : ০৬:২৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কাপড় বিক্রেতা আনোয়ার হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতের নাম মেহেদী হাসান (২৭)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে এবং নবীনগর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার স্থানীয় জনতা মেহেদী হাসানকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ জানতে পারে, তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে (মামলা নং-৭, তারিখ: ০২ আগস্ট ২০২৫)। পরে ভাটারা থানা পুলিশ বিষয়টি মিরপুর মডেল থানাকে অবহিত করলে তারা এসে মেহেদীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থনে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন নিহত আনোয়ার হোসেন ও তার ভাই মামলার বাদী।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মিছিলটি দমনের জন্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সময় গুলি, টিয়ার শেল ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আনোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যা মামলায় মেহেদী হাসান ৪৪ নম্বর আসামি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মেহেদী হাসান ঘটনার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক আইন, হত্যাচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে আরও একাধিক মামলা রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছে পুলিশ।