ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হওয়ায় শ্যামল এমপিকে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অভিনন্দন জমি নিয়ে দুই বোনের পৃথক মামলা, আদালতের নির্দেশেও থামেনি নির্মাণকাজ এফসিপিএস উচ্চতর প্রশিক্ষণে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে যোগ দিলেন ডা. মো. সোলায়মান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপিকে জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নওয়াব আলী মাস্টার জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন নারীদের ভূমি অধিকার ও আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত এআরডি-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে কৃষি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উঠান বৈঠক   

সরাইলের চাঁদার অভিযোগ দায়ের, সত্যতা পাইনি পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল চুন্টা ইউনিয়ন করাতকান্দি, গ্রামের সালিশকারক লুৎফুর মিয়া, শওকত আলী ও ছায়েদুর রহমানের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ৫/৭/২০২৫/ তারিখ শনিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় একই গ্রামের এই তিনজন চাঁদা দাবি করে বলে, লায়েস মিয়া বাদি সরাইল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

জানা যায়, লায়েস মিয়া সহ তাদের ভাই বোনের মাঝে বাবার রেখে যাওয়া জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলা চলে আসছে। তবে লায়েস মিয়া বলেন আমার বড় ছেলে আল আমিন খরিদ সূত্রে জায়গার মধ্যে বিল্ডিং করার জন্য ইট এনে রেখেছে কাজ করার জন্য। আমি কাজ করতে হলে লুৎফুর মিয়া, শওকত আলী ও ছায়েদুর রহমানকে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। তাই আমি এই মর্মে বাদি হয়ে সরাইল থানায় তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছি।
চাঁদাবাজির বিষয়ে লায়েস মিয়ার আপন বড় ভাই সানু মিয়া ও ছোট ভাই লিলু মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন চাঁদাবাজি সত্য নয়। তারা তিনজন সালিশকারক আমাদেরকে কিছু টাকা দিয়ে আমাদের ভাই বোনদের মাঝে ঝামেলা নিস্পত্তি করা জন্য টাকার কথা বলছে। তারা তিনজন ভাল মানুষ তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছে তা মিথ্যা।
চাঁদাবাজির বিষয়ে লায়েস মিয়ার খালাতো ভাই মোঃ তোফাজ্জল হোসেন বলেন লায়েস ভাই চাঁদাবাজির যে অভিযোগ করেছে, তা সত্যতা নয়। আল আমিন এর কাছে যে টাকা চাওয়া হইছে তা লায়েস মিয়ার ভাই বোনদের কে দিয়ে তাদের মধ্যে যে ঝামেলা চলে আসছে তা নিস্পত্তি করার জন্য টাকা চাওয়া হইছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী।

সরাইলের চাঁদার অভিযোগ দায়ের, সত্যতা পাইনি পুলিশ।

Update Time : ০৫:২১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল চুন্টা ইউনিয়ন করাতকান্দি, গ্রামের সালিশকারক লুৎফুর মিয়া, শওকত আলী ও ছায়েদুর রহমানের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ৫/৭/২০২৫/ তারিখ শনিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় একই গ্রামের এই তিনজন চাঁদা দাবি করে বলে, লায়েস মিয়া বাদি সরাইল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

জানা যায়, লায়েস মিয়া সহ তাদের ভাই বোনের মাঝে বাবার রেখে যাওয়া জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলা চলে আসছে। তবে লায়েস মিয়া বলেন আমার বড় ছেলে আল আমিন খরিদ সূত্রে জায়গার মধ্যে বিল্ডিং করার জন্য ইট এনে রেখেছে কাজ করার জন্য। আমি কাজ করতে হলে লুৎফুর মিয়া, শওকত আলী ও ছায়েদুর রহমানকে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। তাই আমি এই মর্মে বাদি হয়ে সরাইল থানায় তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছি।
চাঁদাবাজির বিষয়ে লায়েস মিয়ার আপন বড় ভাই সানু মিয়া ও ছোট ভাই লিলু মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন চাঁদাবাজি সত্য নয়। তারা তিনজন সালিশকারক আমাদেরকে কিছু টাকা দিয়ে আমাদের ভাই বোনদের মাঝে ঝামেলা নিস্পত্তি করা জন্য টাকার কথা বলছে। তারা তিনজন ভাল মানুষ তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছে তা মিথ্যা।
চাঁদাবাজির বিষয়ে লায়েস মিয়ার খালাতো ভাই মোঃ তোফাজ্জল হোসেন বলেন লায়েস ভাই চাঁদাবাজির যে অভিযোগ করেছে, তা সত্যতা নয়। আল আমিন এর কাছে যে টাকা চাওয়া হইছে তা লায়েস মিয়ার ভাই বোনদের কে দিয়ে তাদের মধ্যে যে ঝামেলা চলে আসছে তা নিস্পত্তি করার জন্য টাকা চাওয়া হইছে।