ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবীণ নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতকরণে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সেমিনার নবিনগর কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়নে পরামর্শ সভা নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী র‍্যালি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার পরিবেশ সেবার মানোন্নয়নে এসিজির সঙ্গে মতবিনিময় তিতাস নদীতে বিপদে পড়া নারীকে সাহসিকতায় উদ্ধার করলেন পুলিশ কনস্টেবল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজ্ঞান ক্লাব টেকসইকরণে সেমিনার নবীনগরে শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৯ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার সরাইলে সিএনজিতে ইয়াবা পাচারের সময় ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ ভূমি জটিলতা নিরসনে জনসচেতনতার পাশাপাশি সেবাদাতাদের আরও আন্তরিক হতে হবে এসএসসিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন অধরা

কসবায় আওয়ামীলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ  

আওয়ামীলীগ নেত্রী সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াস। একই সঙ্গে তিনি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওই আওয়ামী লীগ নেত্রী মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মুহাম্মদ ইলিয়াস।
তিনি বলেন, সাঈদা সুলতানার স্বজনদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে তার ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম জায়গার মালিক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে তিনিসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করিয়েছেন। ৭ আগস্ট সাঈদা সুলতানার বাড়ি দখল করে নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা।
মুহাম্মদ ইলিয়াস আরও বলেন, মেয়র ও প্রশাসক থাকাকালে অনেককেই প্রত্যায়ণপত্র দিয়েছি। কাউকে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার বিষয়টি আমার মনে পড়ছে না। কাগজ দেখলে বুঝতে পারবো আমার সই কি না। তবে সাঈদা সুলতানার ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক ও কুমিল্লার বাসিন্দা এর প্রমাণপত্র আছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদা সুলতানা জানান, পাকিস্তানী স্বজনদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে (আম মোক্তারনামা) পুঁজি করে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন ইলিয়াস ও তার ভাই জাহাঙ্গীর। ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক নন সে মর্মে ইলিয়াসই মেয়র হিসেবে প্রত্যায়ন দিয়েছিলেন। ভাই জাহাঙ্গীর জায়গাটির আম মোক্তারনামা নেওয়ার পর ইলিয়াস এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে এখন এলাকাতেই থাকতে পারছেন না।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

Popular Post

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবীণ নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতকরণে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সেমিনার

কসবায় আওয়ামীলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ  

Update Time : ০৪:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
আওয়ামীলীগ নেত্রী সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াস। একই সঙ্গে তিনি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওই আওয়ামী লীগ নেত্রী মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মুহাম্মদ ইলিয়াস।
তিনি বলেন, সাঈদা সুলতানার স্বজনদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে তার ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম জায়গার মালিক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে তিনিসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করিয়েছেন। ৭ আগস্ট সাঈদা সুলতানার বাড়ি দখল করে নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা।
মুহাম্মদ ইলিয়াস আরও বলেন, মেয়র ও প্রশাসক থাকাকালে অনেককেই প্রত্যায়ণপত্র দিয়েছি। কাউকে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার বিষয়টি আমার মনে পড়ছে না। কাগজ দেখলে বুঝতে পারবো আমার সই কি না। তবে সাঈদা সুলতানার ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক ও কুমিল্লার বাসিন্দা এর প্রমাণপত্র আছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদা সুলতানা জানান, পাকিস্তানী স্বজনদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে (আম মোক্তারনামা) পুঁজি করে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন ইলিয়াস ও তার ভাই জাহাঙ্গীর। ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক নন সে মর্মে ইলিয়াসই মেয়র হিসেবে প্রত্যায়ন দিয়েছিলেন। ভাই জাহাঙ্গীর জায়গাটির আম মোক্তারনামা নেওয়ার পর ইলিয়াস এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে এখন এলাকাতেই থাকতে পারছেন না।