ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
রমজানের অনুপ্রেরণায় সাতটি রোজা সম্পন্ন করেছে মুহাম্মদ আয়ানুর রহমান তার সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা পরিবারের এতিমদের সম্মানে সদর হাসপাতাল কর্মচারী কল্যাণ সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল হিপ ফ্র্যাকচারসহ জটিল হাড়ের চিকিৎসায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাঃ মোঃ সোলায়মান সূর্যমুখীকিন্ডার গার্টেন এন্ড গার্লস হাইস্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ইসলামিক ফ্রন্ট মনোনীত চেয়ার মার্কা প্রার্থী আয়েশা আক্তারের সমর্থনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মী সভা রেজাউল হক বুলুর অকাল প্রয়াণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের শোক ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের মেয়াদ পূর্তির ৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকার চেক পেলেন এস এম সেলিম ইদ্রিস শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজার ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে যুক্তরাজ্য কৃষকদলের পুষ্পস্তবক অর্পণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে ১০০টি কম্বল প্রদান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দৈনিক ইত্তেফাকের ৭৩ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কসবায় আওয়ামীলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ  

আওয়ামীলীগ নেত্রী সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াস। একই সঙ্গে তিনি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওই আওয়ামী লীগ নেত্রী মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মুহাম্মদ ইলিয়াস।
তিনি বলেন, সাঈদা সুলতানার স্বজনদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে তার ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম জায়গার মালিক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে তিনিসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করিয়েছেন। ৭ আগস্ট সাঈদা সুলতানার বাড়ি দখল করে নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা।
মুহাম্মদ ইলিয়াস আরও বলেন, মেয়র ও প্রশাসক থাকাকালে অনেককেই প্রত্যায়ণপত্র দিয়েছি। কাউকে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার বিষয়টি আমার মনে পড়ছে না। কাগজ দেখলে বুঝতে পারবো আমার সই কি না। তবে সাঈদা সুলতানার ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক ও কুমিল্লার বাসিন্দা এর প্রমাণপত্র আছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদা সুলতানা জানান, পাকিস্তানী স্বজনদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে (আম মোক্তারনামা) পুঁজি করে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন ইলিয়াস ও তার ভাই জাহাঙ্গীর। ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক নন সে মর্মে ইলিয়াসই মেয়র হিসেবে প্রত্যায়ন দিয়েছিলেন। ভাই জাহাঙ্গীর জায়গাটির আম মোক্তারনামা নেওয়ার পর ইলিয়াস এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে এখন এলাকাতেই থাকতে পারছেন না।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

Popular Post

রমজানের অনুপ্রেরণায় সাতটি রোজা সম্পন্ন করেছে মুহাম্মদ আয়ানুর রহমান তার সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা পরিবারের

কসবায় আওয়ামীলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ  

Update Time : ০৪:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
আওয়ামীলীগ নেত্রী সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াস। একই সঙ্গে তিনি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওই আওয়ামী লীগ নেত্রী মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মুহাম্মদ ইলিয়াস।
তিনি বলেন, সাঈদা সুলতানার স্বজনদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে তার ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম জায়গার মালিক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে তিনিসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করিয়েছেন। ৭ আগস্ট সাঈদা সুলতানার বাড়ি দখল করে নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা।
মুহাম্মদ ইলিয়াস আরও বলেন, মেয়র ও প্রশাসক থাকাকালে অনেককেই প্রত্যায়ণপত্র দিয়েছি। কাউকে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার বিষয়টি আমার মনে পড়ছে না। কাগজ দেখলে বুঝতে পারবো আমার সই কি না। তবে সাঈদা সুলতানার ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক ও কুমিল্লার বাসিন্দা এর প্রমাণপত্র আছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদা সুলতানা জানান, পাকিস্তানী স্বজনদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে (আম মোক্তারনামা) পুঁজি করে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন ইলিয়াস ও তার ভাই জাহাঙ্গীর। ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক নন সে মর্মে ইলিয়াসই মেয়র হিসেবে প্রত্যায়ন দিয়েছিলেন। ভাই জাহাঙ্গীর জায়গাটির আম মোক্তারনামা নেওয়ার পর ইলিয়াস এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে এখন এলাকাতেই থাকতে পারছেন না।