ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হওয়ায় শ্যামল এমপিকে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অভিনন্দন জমি নিয়ে দুই বোনের পৃথক মামলা, আদালতের নির্দেশেও থামেনি নির্মাণকাজ এফসিপিএস উচ্চতর প্রশিক্ষণে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে যোগ দিলেন ডা. মো. সোলায়মান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপিকে জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নওয়াব আলী মাস্টার জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন নারীদের ভূমি অধিকার ও আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত এআরডি-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে কৃষি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উঠান বৈঠক   

কসবায় আওয়ামীলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ  

আওয়ামীলীগ নেত্রী সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াস। একই সঙ্গে তিনি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওই আওয়ামী লীগ নেত্রী মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মুহাম্মদ ইলিয়াস।
তিনি বলেন, সাঈদা সুলতানার স্বজনদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে তার ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম জায়গার মালিক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে তিনিসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করিয়েছেন। ৭ আগস্ট সাঈদা সুলতানার বাড়ি দখল করে নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা।
মুহাম্মদ ইলিয়াস আরও বলেন, মেয়র ও প্রশাসক থাকাকালে অনেককেই প্রত্যায়ণপত্র দিয়েছি। কাউকে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার বিষয়টি আমার মনে পড়ছে না। কাগজ দেখলে বুঝতে পারবো আমার সই কি না। তবে সাঈদা সুলতানার ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক ও কুমিল্লার বাসিন্দা এর প্রমাণপত্র আছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদা সুলতানা জানান, পাকিস্তানী স্বজনদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে (আম মোক্তারনামা) পুঁজি করে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন ইলিয়াস ও তার ভাই জাহাঙ্গীর। ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক নন সে মর্মে ইলিয়াসই মেয়র হিসেবে প্রত্যায়ন দিয়েছিলেন। ভাই জাহাঙ্গীর জায়গাটির আম মোক্তারনামা নেওয়ার পর ইলিয়াস এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে এখন এলাকাতেই থাকতে পারছেন না।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী।

কসবায় আওয়ামীলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ  

Update Time : ০৪:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
আওয়ামীলীগ নেত্রী সাঈদা সুলতানা সুপ্রিয়ার দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াস। একই সঙ্গে তিনি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওই আওয়ামী লীগ নেত্রী মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মুহাম্মদ ইলিয়াস।
তিনি বলেন, সাঈদা সুলতানার স্বজনদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে তার ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম জায়গার মালিক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে তিনিসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করিয়েছেন। ৭ আগস্ট সাঈদা সুলতানার বাড়ি দখল করে নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা।
মুহাম্মদ ইলিয়াস আরও বলেন, মেয়র ও প্রশাসক থাকাকালে অনেককেই প্রত্যায়ণপত্র দিয়েছি। কাউকে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার বিষয়টি আমার মনে পড়ছে না। কাগজ দেখলে বুঝতে পারবো আমার সই কি না। তবে সাঈদা সুলতানার ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক ও কুমিল্লার বাসিন্দা এর প্রমাণপত্র আছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদা সুলতানা জানান, পাকিস্তানী স্বজনদের দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকে (আম মোক্তারনামা) পুঁজি করে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি দখলে নিয়েছেন ইলিয়াস ও তার ভাই জাহাঙ্গীর। ওই স্বজনরা যে বাংলাদেশি নাগরিক নন সে মর্মে ইলিয়াসই মেয়র হিসেবে প্রত্যায়ন দিয়েছিলেন। ভাই জাহাঙ্গীর জায়গাটির আম মোক্তারনামা নেওয়ার পর ইলিয়াস এখন ভিন্ন কথা বলছেন। তাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে এখন এলাকাতেই থাকতে পারছেন না।