ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী র‍্যালি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার পরিবেশ সেবার মানোন্নয়নে এসিজির সঙ্গে মতবিনিময় তিতাস নদীতে বিপদে পড়া নারীকে সাহসিকতায় উদ্ধার করলেন পুলিশ কনস্টেবল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজ্ঞান ক্লাব টেকসইকরণে সেমিনার নবীনগরে শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৯ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহার সরাইলে সিএনজিতে ইয়াবা পাচারের সময় ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ ভূমি জটিলতা নিরসনে জনসচেতনতার পাশাপাশি সেবাদাতাদের আরও আন্তরিক হতে হবে এসএসসিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন অধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটো রিকশার ধাক্কায় কলেজছাত্রীর করুণ মৃত্যু। ট্রাভেল এজেন্সি ফোরাম অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া (টিএএফবি) সদস্যদের আলোচনা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণমিছিল ও সমাবেশ

জুলাই-আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণমিছিল করেছে জামায়াতে ইসলাম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারী কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি গণমিছিল বের করে জেলা জামায়াত ইসলাম। গণমিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ করে। সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামের শুরা সদস্য মাওলানা মোবারক হোসেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ জুনায়দে হাসান ও আব্দুল বাতেন, যুব ও আইন বিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. রোকন উদ্দন, আইসিটি ও শিক্ষা সম্পাদক রাজিফুল হাসান বাপ্পী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাসান মাহমুদ, সেক্রেটারী জুলফিকার হায়দার রাফিসহ প্রমুখ।

জেলা জামায়াতে ইসলামের আমির ও কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মোবারক হোসেন বলেন, ছাত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাশাসক শেষ হাসিনার বিদায় হয়েছে। গত ১৬ বছর কথা বলার কোনো অধিকার ছিল না। কথা বললেই হত্যা করতে দ্বিধা করেনি শেখ হাসিনার সরকার। দেশে এমন অবস্থা কায়েম করেছিল শেখ হাসিনা যে পক্ষে থাকলে মুক্তিযোদ্ধা আর বিপক্ষে গেলে বা থাকলে রাজাকার। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজাকার বলে গালি দিয়েছিল শেখ হাসিনা। ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে এই দেশ থেকে স্বৈরাচারদের বিদায় হয়েছে যাতে দেশে আমাদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলট ঘটতে পারে। আমরা দেখেছি হাসিনা চলে গেলেও তার দোসর ও প্রেতাত্মারা এখনো ক্ষমতায় বসে আছে। আর কোনো দিন হাসিনা আপা দেশে আসতে পারবে না।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হেফাজত ইসলামের সভাপতি জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি মুবারক উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আজমের নেতৃত্বে শহরের টিএরোড থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব পর্যন্ত গণমিছিল ও সমাবেশ করে। এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও সেক্রেটারী মাওলানা গাজী নিয়াজুল করীমের নেতৃত্বে শহরের টিএরোড থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত গণমিছিল ও সমাবেশ করে।

সভায় বক্তারা, দ্রুত শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের দাবী জানান।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

Popular Post

নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী র‍্যালি

গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণমিছিল ও সমাবেশ

Update Time : ১১:১৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই-আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণমিছিল করেছে জামায়াতে ইসলাম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারী কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি গণমিছিল বের করে জেলা জামায়াত ইসলাম। গণমিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ করে। সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামের শুরা সদস্য মাওলানা মোবারক হোসেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ জুনায়দে হাসান ও আব্দুল বাতেন, যুব ও আইন বিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. রোকন উদ্দন, আইসিটি ও শিক্ষা সম্পাদক রাজিফুল হাসান বাপ্পী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাসান মাহমুদ, সেক্রেটারী জুলফিকার হায়দার রাফিসহ প্রমুখ।

জেলা জামায়াতে ইসলামের আমির ও কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মোবারক হোসেন বলেন, ছাত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাশাসক শেষ হাসিনার বিদায় হয়েছে। গত ১৬ বছর কথা বলার কোনো অধিকার ছিল না। কথা বললেই হত্যা করতে দ্বিধা করেনি শেখ হাসিনার সরকার। দেশে এমন অবস্থা কায়েম করেছিল শেখ হাসিনা যে পক্ষে থাকলে মুক্তিযোদ্ধা আর বিপক্ষে গেলে বা থাকলে রাজাকার। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজাকার বলে গালি দিয়েছিল শেখ হাসিনা। ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে এই দেশ থেকে স্বৈরাচারদের বিদায় হয়েছে যাতে দেশে আমাদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলট ঘটতে পারে। আমরা দেখেছি হাসিনা চলে গেলেও তার দোসর ও প্রেতাত্মারা এখনো ক্ষমতায় বসে আছে। আর কোনো দিন হাসিনা আপা দেশে আসতে পারবে না।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হেফাজত ইসলামের সভাপতি জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি মুবারক উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আজমের নেতৃত্বে শহরের টিএরোড থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব পর্যন্ত গণমিছিল ও সমাবেশ করে। এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও সেক্রেটারী মাওলানা গাজী নিয়াজুল করীমের নেতৃত্বে শহরের টিএরোড থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত গণমিছিল ও সমাবেশ করে।

সভায় বক্তারা, দ্রুত শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের দাবী জানান।