ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সরকারের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে: ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল বিজয়নগরে স্বামীর সঙ্গে অভিমানে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর আত্মহত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেতন-ভাতা ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ইপিআই পোর্টারদের মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌ-নিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করলো তরী বাংলাদেশ বেঁচে থাকতে স্বজনহীন কামাল মিয়া, মৃত্যুর পর মরদেহ হস্তান্তর করল পুলিশ ও বাতিঘর কসবায় প্রেমিকার বাড়িতে বিষপান ও গলা কেটে যুবকের আত্মহত্যার চেষ্টা কৃষি ব্যাংকের খেলাপী ঋণগ্রহীতা আবদুল কাদির গ্রেফতার আখাউড়ায় যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীর চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ স্বামী-শাশুড়ির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজা পাচারকালে মা-ছেলে গ্রেফতার রমজানের অনুপ্রেরণায় সাতটি রোজা সম্পন্ন করেছে মুহাম্মদ আয়ানুর রহমান তার সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা পরিবারের
#brahmanbarianews

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জেলা পলিসি ফোরামের (ডিপিএফ) সভায় ‘বাল্যবিয়ে’ কে ‘না’ বলেছেন ২ শতাধিক অভিভাবক। সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র উদ্যোগে ও সরাইল উপজেলার উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে ওই স্কুলের মিলনায়তনে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ‘বাল্যবিবাহ কে ‘না’ বলেছেন অভিবাবকরা ।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু ছায়েদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন। ডিপিএফ’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, জেলা ডিপিএফ’র সভাপতি মো. আরজু মিয়া, সহ সহসভাপতি এ সি তাপসী রায়, সদস্য মো. আইয়ুব খান, এস এম শাহিন, মো. তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. পারভেজ, সুহৃদ সোসাইটির সভাপতি মো. আমির আলী , স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. আফজাল হোসেন রানাপ্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, বাল্যবিয়ে হচ্ছে এক প্রকার ক্রাইম। এই ক্রাইমের শিকার হচ্ছে আমাদের শিশুরা। আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। শিশুদের বিয়ে দিয়ে ভাবছি দায় মুক্তি হচ্ছি। না, আমরা দায় আরো বৃদ্ধি করছি। শিশুর জীবনটা হাতে ধরে ধ্বংস করে দিচ্ছি। শিশুর গর্ভে শিশু জন্মানোর সুযোগ করছি। ফলে অন্ধ বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী প্রজন্ম জন্ম গ্রহণ করছে। বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, শিশু কিশোরীদের আত্মহত্যা ও জটিল রোগ ব্যাধি। এভাবে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করছি। ১৮ বছর বয়সের আগে কোন কন্যা শিশুকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এই বিষয়টি সকল অভিভাবককে জানতে ও মানতে হবে। বাল্যবিয়ের মত ক্রাইম করলে দেশের প্রচলিত আইনে কন্যা ও ছেলের অভিভাবকের সাজা ভোগ করতে হবে। কারাভোগ ও অর্থদন্ড উভয়ই হতে পারে। আসুন, আমরা ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসি। আজ থেকে বাল্যবিয়ে কে না বলি। উপস্থিত নারী পুরূষসহ প্রায় ২ শতাধিক অভিভাবক হাত উঁচিয়ে ‘বাল্যবিয়ে’ কে সমস্বরে ‘না’ বলেছেন।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

সরকারের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে: ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল

#brahmanbarianews

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০১:২০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জেলা পলিসি ফোরামের (ডিপিএফ) সভায় ‘বাল্যবিয়ে’ কে ‘না’ বলেছেন ২ শতাধিক অভিভাবক। সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র উদ্যোগে ও সরাইল উপজেলার উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে ওই স্কুলের মিলনায়তনে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ‘বাল্যবিবাহ কে ‘না’ বলেছেন অভিবাবকরা ।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু ছায়েদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন। ডিপিএফ’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, জেলা ডিপিএফ’র সভাপতি মো. আরজু মিয়া, সহ সহসভাপতি এ সি তাপসী রায়, সদস্য মো. আইয়ুব খান, এস এম শাহিন, মো. তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. পারভেজ, সুহৃদ সোসাইটির সভাপতি মো. আমির আলী , স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. আফজাল হোসেন রানাপ্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, বাল্যবিয়ে হচ্ছে এক প্রকার ক্রাইম। এই ক্রাইমের শিকার হচ্ছে আমাদের শিশুরা। আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। শিশুদের বিয়ে দিয়ে ভাবছি দায় মুক্তি হচ্ছি। না, আমরা দায় আরো বৃদ্ধি করছি। শিশুর জীবনটা হাতে ধরে ধ্বংস করে দিচ্ছি। শিশুর গর্ভে শিশু জন্মানোর সুযোগ করছি। ফলে অন্ধ বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী প্রজন্ম জন্ম গ্রহণ করছে। বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, শিশু কিশোরীদের আত্মহত্যা ও জটিল রোগ ব্যাধি। এভাবে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করছি। ১৮ বছর বয়সের আগে কোন কন্যা শিশুকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এই বিষয়টি সকল অভিভাবককে জানতে ও মানতে হবে। বাল্যবিয়ের মত ক্রাইম করলে দেশের প্রচলিত আইনে কন্যা ও ছেলের অভিভাবকের সাজা ভোগ করতে হবে। কারাভোগ ও অর্থদন্ড উভয়ই হতে পারে। আসুন, আমরা ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসি। আজ থেকে বাল্যবিয়ে কে না বলি। উপস্থিত নারী পুরূষসহ প্রায় ২ শতাধিক অভিভাবক হাত উঁচিয়ে ‘বাল্যবিয়ে’ কে সমস্বরে ‘না’ বলেছেন।