ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হওয়ায় শ্যামল এমপিকে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অভিনন্দন জমি নিয়ে দুই বোনের পৃথক মামলা, আদালতের নির্দেশেও থামেনি নির্মাণকাজ এফসিপিএস উচ্চতর প্রশিক্ষণে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে যোগ দিলেন ডা. মো. সোলায়মান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপিকে জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নওয়াব আলী মাস্টার জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন নারীদের ভূমি অধিকার ও আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত এআরডি-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে কৃষি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উঠান বৈঠক   

বিজয়নগরে যুবদল নেতার সহযোগিতায় যুবলীগ নেতা‌ পলায়ন

Oplus_16908288

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের অভিযানে যুবলীগ নেতাকে পালাতে সহায়তা করে‌ছে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শ‌নিবার ১৭ মে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বুধন্তী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

১৭ই মে শনিবার জেলা যুবদল থেকে অভিযুক্তকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া যুবলীগ নেতা ও অভিযুক্ত যুবদল নেতার কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ভিডিও চিত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধন্তী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ ইসলামকে গ্রেফতার করতে বুধন্তি বাসস্ট্যান্ডের ইউনুস মিয়ার মুদি দোকানে ১৫ মে রাত ১১টার দিকে ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির (এস.আই) সুমন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালায় । এ সময় বুধন্তী ইউনিয়নের যুবদলের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কৌশলে সোহাগ মিয়াকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। অভিযান এর সময় পু‌লিশ‌কে দোকানের ভেতরের দিকে যেতে দিচ্ছেন না ওই যুবদল নেতা । এক পর্যায়ে পুলিশকে ধাক্কা মেরে ভেতর থেকে সোহাগ মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। ত‌বে মিজানুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার ক‌রে বলেন, আমি মোবাইল ফোনের সিমকার্ড তোলার জন্য একটি দোকানে যাই। এ সময় পুলিশ এসে আমার নাম জানতে চায়। এ নিয়ে ওনাদের সঙ্গে আমার তর্কবিতর্ক হয়। দোকান থেকে কেউ তখন চলে গেছেন কি-না আমি দেখিনি। তিনি বলেন, আমি আসলে ষড়যন্ত্রের শিকার।

দীর্ঘ সময় জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে আবার একই পরিস্থিতির শিকার। তবে ঘটনা যেহেতু ঘটেছে বলা হচ্ছে সে কারণে দল শোকজ করতেই পারে। আমি শোকজের জবাব দেব। ঘটনা যে সত্য নয় সেটা দলকে আমি জানিয়ে দেব।

বিজয়নগর থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শহিদুল ইসলাম যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এসআই সুমন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা থানায় দায়ের করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী।

বিজয়নগরে যুবদল নেতার সহযোগিতায় যুবলীগ নেতা‌ পলায়ন

Update Time : ০৫:০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের অভিযানে যুবলীগ নেতাকে পালাতে সহায়তা করে‌ছে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শ‌নিবার ১৭ মে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বুধন্তী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

১৭ই মে শনিবার জেলা যুবদল থেকে অভিযুক্তকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া যুবলীগ নেতা ও অভিযুক্ত যুবদল নেতার কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ভিডিও চিত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধন্তী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ ইসলামকে গ্রেফতার করতে বুধন্তি বাসস্ট্যান্ডের ইউনুস মিয়ার মুদি দোকানে ১৫ মে রাত ১১টার দিকে ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির (এস.আই) সুমন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালায় । এ সময় বুধন্তী ইউনিয়নের যুবদলের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কৌশলে সোহাগ মিয়াকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। অভিযান এর সময় পু‌লিশ‌কে দোকানের ভেতরের দিকে যেতে দিচ্ছেন না ওই যুবদল নেতা । এক পর্যায়ে পুলিশকে ধাক্কা মেরে ভেতর থেকে সোহাগ মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। ত‌বে মিজানুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার ক‌রে বলেন, আমি মোবাইল ফোনের সিমকার্ড তোলার জন্য একটি দোকানে যাই। এ সময় পুলিশ এসে আমার নাম জানতে চায়। এ নিয়ে ওনাদের সঙ্গে আমার তর্কবিতর্ক হয়। দোকান থেকে কেউ তখন চলে গেছেন কি-না আমি দেখিনি। তিনি বলেন, আমি আসলে ষড়যন্ত্রের শিকার।

দীর্ঘ সময় জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে আবার একই পরিস্থিতির শিকার। তবে ঘটনা যেহেতু ঘটেছে বলা হচ্ছে সে কারণে দল শোকজ করতেই পারে। আমি শোকজের জবাব দেব। ঘটনা যে সত্য নয় সেটা দলকে আমি জানিয়ে দেব।

বিজয়নগর থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শহিদুল ইসলাম যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এসআই সুমন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা থানায় দায়ের করেছেন।