ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতির সাবেক ও কথিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেনকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ মে) তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তদন্তসূত্রে জানা যায়, বারডেম ও নভোনরডিক্স কোম্পানির সিডিবি প্রকল্পের আওতায় ডায়াবেটিক রোগীদের বিনামূল্যে টেস্ট করানোর জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতিকে ৩০ লাখ ৪৩ হাজার টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। কিন্তু ইকবাল হোসেন সেই অর্থ সমিতির হিসাবে জমা না দিয়ে নিজ নামে খোলা একটি জনতা ব্যাংক একাউন্টে এককভাবে উত্তোলন করেন এবং পুরো টাকাই আত্মসাৎ করেন। এমনকি রোগীদের কাছ থেকেও একই টেস্টের নামে টাকা আদায় করা হয়।
ঘটনার পরবর্তীতে সরকারি অনুমোদিত নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং অনুসন্ধানে ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চেকের ভিত্তিতে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে ডিবি পুলিশের তদনেমশ ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ একাধিক প্রমাণ উঠে আসে যা ইকবালের বিাংদ্ধে অভিযোগকে আরও শক্তিশালী করে।
এ বিষয়ে দায়ের করা মামলায় আদালত চলতি বছরের ২৭ ফেব্রæয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। অবশেষে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা না মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 











