ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
রমজানের অনুপ্রেরণায় সাতটি রোজা সম্পন্ন করেছে মুহাম্মদ আয়ানুর রহমান তার সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা পরিবারের এতিমদের সম্মানে সদর হাসপাতাল কর্মচারী কল্যাণ সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল হিপ ফ্র্যাকচারসহ জটিল হাড়ের চিকিৎসায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাঃ মোঃ সোলায়মান সূর্যমুখীকিন্ডার গার্টেন এন্ড গার্লস হাইস্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ইসলামিক ফ্রন্ট মনোনীত চেয়ার মার্কা প্রার্থী আয়েশা আক্তারের সমর্থনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মী সভা রেজাউল হক বুলুর অকাল প্রয়াণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের শোক ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের মেয়াদ পূর্তির ৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকার চেক পেলেন এস এম সেলিম ইদ্রিস শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজার ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে যুক্তরাজ্য কৃষকদলের পুষ্পস্তবক অর্পণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে ১০০টি কম্বল প্রদান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দৈনিক ইত্তেফাকের ৭৩ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ট্রাফিক অফিস

“সরকারি কোষাগারে নয়, নগদেই জরিমানা—ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ট্রাফিক পুলিশের নামে চলছে নগদে জরিমানা আদায়ের গোপন খেলা! চালকরা বলছেন, আটক করার পর কাগজের স্লিপ ধরিয়ে ট্রাফিক অফিসে পাঠানো হয়, আর সেখানেই শুরু হয় ‘ডিল’।
“নগদ দেবেন, না ব্যাংকে?”—প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছেন কর্মকর্তারা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসব জরিমানা জমা পড়ার কথা ছিল ব্যাংকের মাধ্যমে। কিন্তু নেই কোনো রশিদ, নেই কোনো অফিসিয়াল স্লিপ!
সিএনজি চালক জাবেদ মিয়া বলেন, গাড়ি আটক করার পর ট্রাফিক পুলিশ একটি কাগজ দেয়। ওই কাগজ নিয়ে ট্রাফিক অফিসে গিয়ে বড় স্যারের কাছে স্লিপটা দিলে বলে মামলা দিয়েছি, ভিতরে যান। ভিতরের রুমে গেলে একজন ক্যাশিয়ার বলেন, জরিমানা হয়েছে, নগদ না ব্যাংকে দিবেন? নগদ বললেই সঙ্গে সঙ্গে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছে, কিন্তু কোনো ধরনের স্লিপ দেওয়া হচ্ছে না।
আরেক চালক বকুল ও পলাশের ভাষায়, “থানায় গেলেই ভিতরে নিয়ে বলে জরিমানা হয়েছে, নগদ দেন, গাড়ি নিয়ে যান। আমরা ভয়ে নগদ দিয়ে দেই।”
সিএনজি মালিক সমিতির সেক্রেটারি শাহজাহান মিয়া জানালেন, “ নগদ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। শহরে সিএনজি জরুরি প্রয়োজনে প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী তোলা সম্পূর্ণ অনিয়ম।”
শুধু জরিমানা নয়, ট্রাফিক আইন ভেঙে ভারি যানবাহন শহরে ঢুকছে দিনের বেলাতেই। নিয়ম অনুযায়ী রাত ৯ টার পর এসব গাড়ি প্রবেশ করতে পারলেও, অভিযোগ রয়েছে—ঘুষ দিয়েই দিনের আলোতে শহরে ঢুকছে তারা।ফলে শহরের রাস্তা জ্যামে অচল, আর দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে সরকার হারাবে রাজস্ব, আর শহর হারাবে শৃঙ্খলা।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ারের সঙ্গে, কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

Popular Post

রমজানের অনুপ্রেরণায় সাতটি রোজা সম্পন্ন করেছে মুহাম্মদ আয়ানুর রহমান তার সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা পরিবারের

ট্রাফিক অফিস

“সরকারি কোষাগারে নয়, নগদেই জরিমানা—ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

Update Time : ১১:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ট্রাফিক পুলিশের নামে চলছে নগদে জরিমানা আদায়ের গোপন খেলা! চালকরা বলছেন, আটক করার পর কাগজের স্লিপ ধরিয়ে ট্রাফিক অফিসে পাঠানো হয়, আর সেখানেই শুরু হয় ‘ডিল’।
“নগদ দেবেন, না ব্যাংকে?”—প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছেন কর্মকর্তারা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসব জরিমানা জমা পড়ার কথা ছিল ব্যাংকের মাধ্যমে। কিন্তু নেই কোনো রশিদ, নেই কোনো অফিসিয়াল স্লিপ!
সিএনজি চালক জাবেদ মিয়া বলেন, গাড়ি আটক করার পর ট্রাফিক পুলিশ একটি কাগজ দেয়। ওই কাগজ নিয়ে ট্রাফিক অফিসে গিয়ে বড় স্যারের কাছে স্লিপটা দিলে বলে মামলা দিয়েছি, ভিতরে যান। ভিতরের রুমে গেলে একজন ক্যাশিয়ার বলেন, জরিমানা হয়েছে, নগদ না ব্যাংকে দিবেন? নগদ বললেই সঙ্গে সঙ্গে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছে, কিন্তু কোনো ধরনের স্লিপ দেওয়া হচ্ছে না।
আরেক চালক বকুল ও পলাশের ভাষায়, “থানায় গেলেই ভিতরে নিয়ে বলে জরিমানা হয়েছে, নগদ দেন, গাড়ি নিয়ে যান। আমরা ভয়ে নগদ দিয়ে দেই।”
সিএনজি মালিক সমিতির সেক্রেটারি শাহজাহান মিয়া জানালেন, “ নগদ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। শহরে সিএনজি জরুরি প্রয়োজনে প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী তোলা সম্পূর্ণ অনিয়ম।”
শুধু জরিমানা নয়, ট্রাফিক আইন ভেঙে ভারি যানবাহন শহরে ঢুকছে দিনের বেলাতেই। নিয়ম অনুযায়ী রাত ৯ টার পর এসব গাড়ি প্রবেশ করতে পারলেও, অভিযোগ রয়েছে—ঘুষ দিয়েই দিনের আলোতে শহরে ঢুকছে তারা।ফলে শহরের রাস্তা জ্যামে অচল, আর দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে সরকার হারাবে রাজস্ব, আর শহর হারাবে শৃঙ্খলা।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ারের সঙ্গে, কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।