সাধারণ সম্পাদক না হয়েও সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এস.এ শাখা থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের ২২লক্ষ ৫৬ হাজার ৪১৮টাকা আত্বৎসাত করায়,গত রবিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদেশে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতির হাসপাতাল নির্মাণের জন্য পুনিয়াউট মৌজায় ৮০শতক ভূমি ক্রয় করা হয়। আশুগজ্ঞ-আখাউড়া ফোরলেন রাস্তার জন্য ডায়াবেটিক হাসপাতালের ক্রয়কৃত ভূমি থেকে ২শতক ১০পয়েন্ট জায়গা জেলা প্রশাসক কার্যালয় অধিগ্রহণ করে। অধিগ্রহণকৃত ভূমির মূল্য বাবদ ২২,৫৬,৪১৮ টাকা নির্ধারণ হয়। উক্ত টাকা ইকবাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক না হয়েও সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে প্রতারনার মাধ্যমে তার নিজের নামে উল্লেখিত টাকার চেক গ্রহণ করে। উক্ত টাকা তার নিজ নামে আইএফসি ব্যাংক, কাউতলী উপশাখায় জমা করেন। পরবর্তীতে উক্ত টাকা থেকে ৫লক্ষ টাকা করে তার নিজ নামে ৪টি এফ.ডি.আর করে যার নমিনী তার স্ত্রীকে করা হয় এবং উল্লেখিত টাকার উৎস তার ব্যক্তিগত ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত বলে দেখানো হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াকেটিক সমিতির কর্তৃপক্ষ ইকবাল হোসেন কর্তৃক আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধারে মামলা দায়ের করলে পিবিআই তদন্ত শেষে অভিযোগ পত্র দায়ের করলে মাননীয় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন।
ইতিপুর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতির রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষার মূল্য বাবদ নব-নরডিক্স কোম্পানী থেকে চেকের মাধ্যমে প্রাপ্ত ৩০লক্ষ৪৩হাজার টাকা আত্মসাৎ করায় দীর্ঘ সময় জেল খেটে বর্তমানে জামিনে আছেন।
এছাড়াও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে অডিট রিপোর্টে ইকবাল হোসেন ৩২,৩৬,৩৯০টাকা ভূয়া বিল ভাউচারের নিয়ে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন মর্মে সরকারী অডিট রিপোর্টে উল্লেখ আছে। উক্ত টাকা উদ্ধারে ফ্যাসিষ্ট ইকবাল হেসেনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Reporter Name 








