ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাদাবন ও এআরডি-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যেগে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস’২০২৫ উপলক্ষে ভাদুঘর ঋষিপাড়ায় মঙ্গলবার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থা এআরডি-ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার জান্নাতুল ফেরদৌস। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একাডেমিক সুপারভাইজার পাপিয়া আক্তার, সদর ব্রাহ্মনবাড়িয়ার সহকারী কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম প্রমূখ।
দিবসের প্রতি একাত্বতা পোষন করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ, সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিগণ ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার অপরাপর নাগরিকবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
আলোলোচনা সভায় জানানো হয়,বাংলাদেশের নারীদের ভূমি অধিকার একটি জটিল ও বৈষম্যমূলক বিষয়। বাংলাদেশের গ্রামের নারীরা কার্যকর ভাবে মাত্র ৪% ভূমির মালিকানা রাখেন যদিও তারা দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা গঠন করেন। এ বৈষম্য মূলত সামাজিক, সংস্কৃতি এবং আইনি প্রতিবন্ধকতা কারণে হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সংবিধান ও সাধারণ আইনে নারীদের ভূমি অধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধার কারণে তারা ভূমি অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। পারিবারিক ধর্মীয় রীতি নীতি নারীদের ভূমি অধিকার প্রয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশের নারীরা কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তির জরিপ অনুযায়ী বর্তমান কৃষি খাতে ১৮.৪ মিলিয়ন নারী কর্মরত আছে যা মোট কৃষির শ্রমশক্তির ৫৮% । অপরদিকে পুরুষ কৃষকসংখ্যা ১৩.৫৫ মিলিয়ন যা মোট কৃষি শ্রমশক্তির ৪২%। এই তথ্যে নারীদের কৃষিতে অংশগ্রহণের গুরুত্ব এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে তাদের অবদানের প্রমাণ পায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক 












