ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
রমজানের অনুপ্রেরণায় সাতটি রোজা সম্পন্ন করেছে মুহাম্মদ আয়ানুর রহমান তার সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা পরিবারের এতিমদের সম্মানে সদর হাসপাতাল কর্মচারী কল্যাণ সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল হিপ ফ্র্যাকচারসহ জটিল হাড়ের চিকিৎসায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাঃ মোঃ সোলায়মান সূর্যমুখীকিন্ডার গার্টেন এন্ড গার্লস হাইস্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ইসলামিক ফ্রন্ট মনোনীত চেয়ার মার্কা প্রার্থী আয়েশা আক্তারের সমর্থনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মী সভা রেজাউল হক বুলুর অকাল প্রয়াণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের শোক ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের মেয়াদ পূর্তির ৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকার চেক পেলেন এস এম সেলিম ইদ্রিস শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজার ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে যুক্তরাজ্য কৃষকদলের পুষ্পস্তবক অর্পণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে ১০০টি কম্বল প্রদান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দৈনিক ইত্তেফাকের ৭৩ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিজয়নগরে যুবদল নেতার সহযোগিতায় যুবলীগ নেতা‌ পলায়ন

Oplus_16908288

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের অভিযানে যুবলীগ নেতাকে পালাতে সহায়তা করে‌ছে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শ‌নিবার ১৭ মে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বুধন্তী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

১৭ই মে শনিবার জেলা যুবদল থেকে অভিযুক্তকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া যুবলীগ নেতা ও অভিযুক্ত যুবদল নেতার কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ভিডিও চিত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধন্তী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ ইসলামকে গ্রেফতার করতে বুধন্তি বাসস্ট্যান্ডের ইউনুস মিয়ার মুদি দোকানে ১৫ মে রাত ১১টার দিকে ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির (এস.আই) সুমন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালায় । এ সময় বুধন্তী ইউনিয়নের যুবদলের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কৌশলে সোহাগ মিয়াকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। অভিযান এর সময় পু‌লিশ‌কে দোকানের ভেতরের দিকে যেতে দিচ্ছেন না ওই যুবদল নেতা । এক পর্যায়ে পুলিশকে ধাক্কা মেরে ভেতর থেকে সোহাগ মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। ত‌বে মিজানুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার ক‌রে বলেন, আমি মোবাইল ফোনের সিমকার্ড তোলার জন্য একটি দোকানে যাই। এ সময় পুলিশ এসে আমার নাম জানতে চায়। এ নিয়ে ওনাদের সঙ্গে আমার তর্কবিতর্ক হয়। দোকান থেকে কেউ তখন চলে গেছেন কি-না আমি দেখিনি। তিনি বলেন, আমি আসলে ষড়যন্ত্রের শিকার।

দীর্ঘ সময় জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে আবার একই পরিস্থিতির শিকার। তবে ঘটনা যেহেতু ঘটেছে বলা হচ্ছে সে কারণে দল শোকজ করতেই পারে। আমি শোকজের জবাব দেব। ঘটনা যে সত্য নয় সেটা দলকে আমি জানিয়ে দেব।

বিজয়নগর থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শহিদুল ইসলাম যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এসআই সুমন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা থানায় দায়ের করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mamun

Popular Post

রমজানের অনুপ্রেরণায় সাতটি রোজা সম্পন্ন করেছে মুহাম্মদ আয়ানুর রহমান তার সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা পরিবারের

বিজয়নগরে যুবদল নেতার সহযোগিতায় যুবলীগ নেতা‌ পলায়ন

Update Time : ০৫:০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের অভিযানে যুবলীগ নেতাকে পালাতে সহায়তা করে‌ছে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শ‌নিবার ১৭ মে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বুধন্তী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

১৭ই মে শনিবার জেলা যুবদল থেকে অভিযুক্তকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া যুবলীগ নেতা ও অভিযুক্ত যুবদল নেতার কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ভিডিও চিত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধন্তী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ ইসলামকে গ্রেফতার করতে বুধন্তি বাসস্ট্যান্ডের ইউনুস মিয়ার মুদি দোকানে ১৫ মে রাত ১১টার দিকে ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির (এস.আই) সুমন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালায় । এ সময় বুধন্তী ইউনিয়নের যুবদলের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কৌশলে সোহাগ মিয়াকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। অভিযান এর সময় পু‌লিশ‌কে দোকানের ভেতরের দিকে যেতে দিচ্ছেন না ওই যুবদল নেতা । এক পর্যায়ে পুলিশকে ধাক্কা মেরে ভেতর থেকে সোহাগ মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। ত‌বে মিজানুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার ক‌রে বলেন, আমি মোবাইল ফোনের সিমকার্ড তোলার জন্য একটি দোকানে যাই। এ সময় পুলিশ এসে আমার নাম জানতে চায়। এ নিয়ে ওনাদের সঙ্গে আমার তর্কবিতর্ক হয়। দোকান থেকে কেউ তখন চলে গেছেন কি-না আমি দেখিনি। তিনি বলেন, আমি আসলে ষড়যন্ত্রের শিকার।

দীর্ঘ সময় জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে আবার একই পরিস্থিতির শিকার। তবে ঘটনা যেহেতু ঘটেছে বলা হচ্ছে সে কারণে দল শোকজ করতেই পারে। আমি শোকজের জবাব দেব। ঘটনা যে সত্য নয় সেটা দলকে আমি জানিয়ে দেব।

বিজয়নগর থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শহিদুল ইসলাম যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এসআই সুমন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা থানায় দায়ের করেছেন।