প্রতিবছর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষকাল শুরু হয় ২৫ নভেম্বর এবং ১০ ডিসেম্বর সর্বজনীন মানবাধিকার দিবস পালনের মাধ্যমে শেষ হয়। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৯৮১ সালে লাতিন আমেরিকায় নারীদের এক সম্মেলনে ২৫ নভেম্বর ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ পালনের ঘোষণা দেয়া হয়।
জাতিসংঘ দিবসটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর ডোমিনিকান রিপাবলিকে সেনা সদস্য কর্তৃক এক বর্বরোচিত নির্যাতনের শিকার হয়ে তিন বোন মৃত্যুবরণ করেন। তাদের স্মরণ করে ১৯৮১ সালে ২৫ নভেম্বরকে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ২৫ শে নভেম্বর সোমবার আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উদযাপন উপলক্ষে বদাবন সংঘের সহায়তায় মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থা এআরডি’র আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয় সরকারি কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও মোমবাতি প্রজ্জলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এআরডি’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান রেজভী’র সভাপত্বিতে প্রধাণ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয় সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আরিফ হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন এআরডি’র নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমিন জাহান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুর সম্্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান সঙ্গীতাঙ্গনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি ও সাহিত্যিক আব্দুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু হুরাইরা, ইশা সমাজ কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এস.সি তাপসি রায় প্রমুখ।
এআরডি’র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জান্নাতুল ফেরদৌস এর উপস্থাপনায় আলোচনা সভার পর অতিথিগণ ও উপস্থিত সবাই শহীদ মিনারে পক্ষ্যকাল ক্যাম্পেইনের সমর্থনে মোবাতি প্রজ্জ্বলনসহ গণস্বাক্ষর প্রদান করেন। কর্মসূচিতে দূর্বার নেটওয়ার্ক সদস্য সংগঠন সমূহের প্রতিনিধিগন, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার অপরাপর নাগরিকগন অংশগ্রহণ করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 











