Brahmanbaria ০৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Last News :
আখাউড়া স্থলবন্দর চার দিনে ছুটির ঘোষণা  আবেশের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ও মেধাবী চারশত  শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রধান কাঙ্ক্ষিত ইজারামূল্য না পাওয়ায় একমাত্র পশুহাটটি পরিচালনা করবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে গৃহ প্রদান অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ের জায়গায় বাজার ইজার দিয়েছেন পৌরসভা, নিরব রেল কর্তৃপক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়“ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৪” এর উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইজাজ হত্যার মূল আসামি  ফারাবি অস্ত্রসহ গ্রেফতার। সরাইলে ৪২ ভূমিহীন পরিবারের জন্য ভূমির দাবীতে মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান হলেন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাল স্বাক্ষরে মাদ্রসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন স্থগিতের অভিযোগ

জমে উঠেছে লালপুরের শুটকী পল্লী 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৩৯৫ Time View
জমে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লালপুরের শুটকী পল্লী। তিতাস, মেঘনা নদীসহ বিস্তির্ণ হাওড়াঞ্চল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সংগ্রহের প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরী হচ্ছে শুটকী। এসব শুটকী ভারত ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হয়।
শুটকী প্রক্রিয়াকরণের সাথে জড়িতরা জানান, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও শুটকীর দাম না বাড়ায় বর্তমানে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতির আশঙ্কায় । সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি প্রতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ২ শ কোটি টাকার শুঁটকী উৎপাদন হবে যার অর্ধেকই লালপুরের শুটকী পল্লী থেকে উৎপাদিত হবে। 
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, শুটকী ব্যবসাকে লাভবান করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার কথা। বাংলাদেশে মিঠা পানির শুটকীর একটি বড় অংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলায় উৎপাদিত হয়। জেলা সদর ছাড়াও নাসিরনগন ও আশুগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াইশ মাচায় এখন চলছে শুটকী প্রক্রিয়াকরনের কাজ। এর মধ্যে লাল পুরে রয়েছে প্রায় ৯০টি মাচা। তিতাস, মেঘনা নদীসহ বিস্তির্ণ হাওড়াঞ্চল থেকে সংগৃহীত মাছ প্রক্রিয়া করণের মাধ্যমে এখানে তৈরী হচ্ছে পুঁটি, শৈল, গজার, বাইম, বজুরি,
টেংরা, বোয়াল সহ জাতের শুটকী। এসব শুটকী তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সহস্রাধিক নারী-পুরুষ।
প্রক্রিয়াকরনের সাথে জড়িতরা জানালেন,  আশ্বিন থেকে শুরু করে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত প্রায় ছয় মাস ধরে চলে এখানে শুটকী তৈরীর কাজ।
এখানকার শুটকী নিরাপদ হওয়ায় সারা দেশের পাশাপাশি দেশের বাইরেও এর কদর রয়েছে।
ক্ষুদ্র্ঋন ও দাদনের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় পুঁজি সংকটে ভুগছে এ পেশায় জড়িতরা।
পাশিাপাশি বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেশী দামে মাছ কিনতে হচ্ছে। এছাড়া শুটকী প্রকিয়াকরণের অন্যতম উপাদান লবণসহ অন্যান্য উপকরণের দামও বেড়ে গেছে। এতে কাঙ্খিত লাভ না হওয়ায় বর্তমানে এ পেশায় টিকে থাকতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
মৎস্য অফিস জানিয়েছে, মৎস্য খাতকে কৃষি ঋন নীতিমালার আওতাভূক্ত করে এ পেশায় নিয়োজিতদের ঋন সহায়তার বিষয়টি প্রক্রিয়ধীন রয়েছে।২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে জেলায় প্রায় ২ হাজার মেঃ টন শুটকী উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে টাকার অংকে যা প্রায় ২শ কোটি টাকা।
নিরপাদ শুটকী তৈরীর পাশাপাশি শুটকী ব্যবসায়ীদের লাভবান করতে বি পে অফঃ শুটকী উৎপাদনকারীদের নানা সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগী হবেন এমনটাই প্রত্যাশা ।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

আখাউড়া স্থলবন্দর চার দিনে ছুটির ঘোষণা 

জমে উঠেছে লালপুরের শুটকী পল্লী 

Update Time : ০৬:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪
জমে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লালপুরের শুটকী পল্লী। তিতাস, মেঘনা নদীসহ বিস্তির্ণ হাওড়াঞ্চল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সংগ্রহের প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরী হচ্ছে শুটকী। এসব শুটকী ভারত ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হয়।
শুটকী প্রক্রিয়াকরণের সাথে জড়িতরা জানান, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও শুটকীর দাম না বাড়ায় বর্তমানে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতির আশঙ্কায় । সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি প্রতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ২ শ কোটি টাকার শুঁটকী উৎপাদন হবে যার অর্ধেকই লালপুরের শুটকী পল্লী থেকে উৎপাদিত হবে। 
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, শুটকী ব্যবসাকে লাভবান করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার কথা। বাংলাদেশে মিঠা পানির শুটকীর একটি বড় অংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলায় উৎপাদিত হয়। জেলা সদর ছাড়াও নাসিরনগন ও আশুগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াইশ মাচায় এখন চলছে শুটকী প্রক্রিয়াকরনের কাজ। এর মধ্যে লাল পুরে রয়েছে প্রায় ৯০টি মাচা। তিতাস, মেঘনা নদীসহ বিস্তির্ণ হাওড়াঞ্চল থেকে সংগৃহীত মাছ প্রক্রিয়া করণের মাধ্যমে এখানে তৈরী হচ্ছে পুঁটি, শৈল, গজার, বাইম, বজুরি,
টেংরা, বোয়াল সহ জাতের শুটকী। এসব শুটকী তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সহস্রাধিক নারী-পুরুষ।
প্রক্রিয়াকরনের সাথে জড়িতরা জানালেন,  আশ্বিন থেকে শুরু করে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত প্রায় ছয় মাস ধরে চলে এখানে শুটকী তৈরীর কাজ।
এখানকার শুটকী নিরাপদ হওয়ায় সারা দেশের পাশাপাশি দেশের বাইরেও এর কদর রয়েছে।
ক্ষুদ্র্ঋন ও দাদনের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় পুঁজি সংকটে ভুগছে এ পেশায় জড়িতরা।
পাশিাপাশি বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেশী দামে মাছ কিনতে হচ্ছে। এছাড়া শুটকী প্রকিয়াকরণের অন্যতম উপাদান লবণসহ অন্যান্য উপকরণের দামও বেড়ে গেছে। এতে কাঙ্খিত লাভ না হওয়ায় বর্তমানে এ পেশায় টিকে থাকতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
মৎস্য অফিস জানিয়েছে, মৎস্য খাতকে কৃষি ঋন নীতিমালার আওতাভূক্ত করে এ পেশায় নিয়োজিতদের ঋন সহায়তার বিষয়টি প্রক্রিয়ধীন রয়েছে।২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে জেলায় প্রায় ২ হাজার মেঃ টন শুটকী উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে টাকার অংকে যা প্রায় ২শ কোটি টাকা।
নিরপাদ শুটকী তৈরীর পাশাপাশি শুটকী ব্যবসায়ীদের লাভবান করতে বি পে অফঃ শুটকী উৎপাদনকারীদের নানা সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগী হবেন এমনটাই প্রত্যাশা ।