Brahmanbaria ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Last News :
আখাউড়া স্থলবন্দর চার দিনে ছুটির ঘোষণা  আবেশের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ও মেধাবী চারশত  শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রধান কাঙ্ক্ষিত ইজারামূল্য না পাওয়ায় একমাত্র পশুহাটটি পরিচালনা করবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে গৃহ প্রদান অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ের জায়গায় বাজার ইজার দিয়েছেন পৌরসভা, নিরব রেল কর্তৃপক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়“ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৪” এর উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইজাজ হত্যার মূল আসামি  ফারাবি অস্ত্রসহ গ্রেফতার। সরাইলে ৪২ ভূমিহীন পরিবারের জন্য ভূমির দাবীতে মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান হলেন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাল স্বাক্ষরে মাদ্রসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন স্থগিতের অভিযোগ

আখাউড়া-লাকসাম ৭২ কিলোমিটার ডাবল রেললাইনের নির্মাণ কাজ শেষ, ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
  • ৭৫৯ Time View

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার ডাবল রেললাইনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ট্রেন চলাচলে উপযোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা। আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে এই রেলপথ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ৩২১ কিলোমিটারের মধ্যে ১১৮ কিলোমিটার আগে থেকেই ডাবল লাইন ছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনটি প্রকল্পের মাধ্যমে আরও ১৩১ কিলোমিটার ডাবল লাইন নির্মাণ করা হয়। বাকি ৭২ কিলোমিটার রেলপথ ডুয়েল গেজ লাইনে উন্নীত করার জন্য ৬ হাজার ৫০৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যায়ে ২০১৪ সালে লাকসাম-আখাউড়া ডাবল লাইন প্রকল্প নেয় রেলওয়ে। প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন ও ম্যাস্ক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার। কুমিল্লা থেকে লাকসাম পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার প্রকল্পের কাজ আগেভাগে শেষ হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলস্টেশনের কাজ ও সালদা নদী রেল সেতুর কাজ ভারতের সাথে সীমান্ত জটিলতার কারণে বিএসএফ এর বাধায় আটকে থাকে র্দীঘদিন। ২০২০ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতার কারনে প্রকল্পের কাজ ধীরগতির কারনে মেয়াদ বাড়ানো হয়। পরে চলতি বছরের মার্চ সীমান্ত জটিলতায় নিরসন করলে গতি বাড়িয়ে র্দীঘ সাড়ে ৮ বছরে এই রেলপথে নির্মান কাজ শেষ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সুবক্তগীন জানান, এ লাইনটি চালু হলে ডাবল লাইনে রূপান্তর হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেন রুট। এতে এই রুটে ৭০ জোড়া ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা তৈরি হবে। একই সাথে মালবাহী কনটেইনার চলাচলেরও সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়বে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

আখাউড়া স্থলবন্দর চার দিনে ছুটির ঘোষণা 

আখাউড়া-লাকসাম ৭২ কিলোমিটার ডাবল রেললাইনের নির্মাণ কাজ শেষ, ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৭:০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার ডাবল রেললাইনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ট্রেন চলাচলে উপযোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা। আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে এই রেলপথ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ৩২১ কিলোমিটারের মধ্যে ১১৮ কিলোমিটার আগে থেকেই ডাবল লাইন ছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনটি প্রকল্পের মাধ্যমে আরও ১৩১ কিলোমিটার ডাবল লাইন নির্মাণ করা হয়। বাকি ৭২ কিলোমিটার রেলপথ ডুয়েল গেজ লাইনে উন্নীত করার জন্য ৬ হাজার ৫০৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যায়ে ২০১৪ সালে লাকসাম-আখাউড়া ডাবল লাইন প্রকল্প নেয় রেলওয়ে। প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন ও ম্যাস্ক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার। কুমিল্লা থেকে লাকসাম পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার প্রকল্পের কাজ আগেভাগে শেষ হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলস্টেশনের কাজ ও সালদা নদী রেল সেতুর কাজ ভারতের সাথে সীমান্ত জটিলতার কারণে বিএসএফ এর বাধায় আটকে থাকে র্দীঘদিন। ২০২০ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতার কারনে প্রকল্পের কাজ ধীরগতির কারনে মেয়াদ বাড়ানো হয়। পরে চলতি বছরের মার্চ সীমান্ত জটিলতায় নিরসন করলে গতি বাড়িয়ে র্দীঘ সাড়ে ৮ বছরে এই রেলপথে নির্মান কাজ শেষ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সুবক্তগীন জানান, এ লাইনটি চালু হলে ডাবল লাইনে রূপান্তর হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেন রুট। এতে এই রুটে ৭০ জোড়া ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা তৈরি হবে। একই সাথে মালবাহী কনটেইনার চলাচলেরও সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়বে।