Brahmanbaria ১২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Last News :
আখাউড়া স্থলবন্দর চার দিনে ছুটির ঘোষণা  আবেশের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ও মেধাবী চারশত  শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রধান কাঙ্ক্ষিত ইজারামূল্য না পাওয়ায় একমাত্র পশুহাটটি পরিচালনা করবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে গৃহ প্রদান অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ের জায়গায় বাজার ইজার দিয়েছেন পৌরসভা, নিরব রেল কর্তৃপক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়“ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৪” এর উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইজাজ হত্যার মূল আসামি  ফারাবি অস্ত্রসহ গ্রেফতার। সরাইলে ৪২ ভূমিহীন পরিবারের জন্য ভূমির দাবীতে মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান হলেন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাল স্বাক্ষরে মাদ্রসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন স্থগিতের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
  • ৮৯০ Time View
ছুরিকাঘাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম আহমেদ (৩০) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে নিহত ইকরামের বাবা ব্যবসায়ী মাসুদ আহমেদ বাদি হয়ে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয়েছে ঘাতক রায়হানকে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিও উদ্ধার করা হয়। রায়হান (২২) ঢাকার বংশালের সিদ্দিক বাজার এলাকার জিয়াউল করিম জিয়ার ছেলে।
এরআগে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে বাকবিতন্ডার জেরে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম আহমেদকে ছুরিকাঘাতে করে হত্যা করে রায়হান। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের মুন্সেফপাড়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও ছাত্রলীগের ঢাকা উত্তর মহানগরের সাবেক সহ সভাপতি রেদোয়ান আনসারী রিমোর বাসায় এই ঘটনা ঘটে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে নিহত ইকরামের ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ প্রহরায় মরদেহ গ্রহন করে স্বজনরা। দুপুরে শহরের টেংকের পাড়স্থ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি জেলার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরাকান্দা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন জানান, এই ঘটনায় ইকরামের বাবা গ্রেপ্তারকৃত রায়হানকে একমাত্র আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকান্ডের পর পরই রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছুরিকাঘাতে ইকরামকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে। এই ঘটনায় রায়হানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইকরাম আহমেদ শহরের মুন্সেফপাড়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য রেদোয়ান আনসারী রিমোর বাসায় আসা যাওয়া ছিল। সেখানে রিমোর মামাতো ভাই রায়হান থাকতেন। রায়হান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিমোর দোকানে সেলসম্যানের কাজ করে। সে মাদকাসক্ত ছিল। রিমোর এক মামার মোটরসাইকেল রায়হান ও ইকরাম মাঝে মাঝে চালাতেন। বুধবার সন্ধ্যায় ইকরাম সেখানে গেলে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে রায়হানের সাথে তার বাকবিতন্ডা হয়। এরই জেরে রায়হান ছুরিকাঘাত করে ইকরামকে। তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

আখাউড়া স্থলবন্দর চার দিনে ছুটির ঘোষণা 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা

Update Time : ১০:২৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
ছুরিকাঘাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম আহমেদ (৩০) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে নিহত ইকরামের বাবা ব্যবসায়ী মাসুদ আহমেদ বাদি হয়ে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয়েছে ঘাতক রায়হানকে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিও উদ্ধার করা হয়। রায়হান (২২) ঢাকার বংশালের সিদ্দিক বাজার এলাকার জিয়াউল করিম জিয়ার ছেলে।
এরআগে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে বাকবিতন্ডার জেরে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম আহমেদকে ছুরিকাঘাতে করে হত্যা করে রায়হান। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের মুন্সেফপাড়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও ছাত্রলীগের ঢাকা উত্তর মহানগরের সাবেক সহ সভাপতি রেদোয়ান আনসারী রিমোর বাসায় এই ঘটনা ঘটে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে নিহত ইকরামের ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ প্রহরায় মরদেহ গ্রহন করে স্বজনরা। দুপুরে শহরের টেংকের পাড়স্থ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে নিহতের মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি জেলার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরাকান্দা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন জানান, এই ঘটনায় ইকরামের বাবা গ্রেপ্তারকৃত রায়হানকে একমাত্র আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকান্ডের পর পরই রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছুরিকাঘাতে ইকরামকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে। এই ঘটনায় রায়হানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইকরাম আহমেদ শহরের মুন্সেফপাড়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য রেদোয়ান আনসারী রিমোর বাসায় আসা যাওয়া ছিল। সেখানে রিমোর মামাতো ভাই রায়হান থাকতেন। রায়হান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিমোর দোকানে সেলসম্যানের কাজ করে। সে মাদকাসক্ত ছিল। রিমোর এক মামার মোটরসাইকেল রায়হান ও ইকরাম মাঝে মাঝে চালাতেন। বুধবার সন্ধ্যায় ইকরাম সেখানে গেলে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে রায়হানের সাথে তার বাকবিতন্ডা হয়। এরই জেরে রায়হান ছুরিকাঘাত করে ইকরামকে। তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।